লাইফস্টাইলহেলথ

গর্ভাবস্থায় ঘরে যেসব উপকরণ থাকা সন্তানের জন্য ক্ষতিকর

নিউজ ডট বাজারযাবো ডেস্কঃ গর্ভধারণ প্রত্যেক মেয়ের জন্য আনন্দের বিষয়।সন্তানের মা হওয়া সব নারীরই স্বপ্ন। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পর সেই আগত সন্তানের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হয় সবার আগে।

এডওয়ার্ড ভায়া কলেজ এবং ভার্জিনিয়া ম্যারিল্যান্ড কলেজের সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় জানা গেছে, বাসা বাড়ির সৌন্দর্যে যেসব কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর মাঝে অনেক কেমিক্যালই শিশুদের অস্বাভাবিক জন্ম ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার জন্য দায়ী। এমনকি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজনও যদি সেসব কেমিক্যালের সংস্পর্শে আসেন, তাহলেও তা আগত শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেসব কেমিক্যাল বা উপকরণ আগত সন্তান জন্মগ্রহণের আগেই তার ক্ষতি করতে পারে, চলুন সেই সব উপকরণ সম্পর্কে জানি ।

ওয়াল পেইন্ট: ঘরে যদি আপনার স্ত্রী গর্ভবতী থাকে, তাহলে আপনার ঘরে ওয়াল পেইন্টের কাজ করানোর আগে ভাবতে হবে আপনাকে। কারণ ওয়াল পেইন্টের উপকরণে সীসার পরিমাণ বেশি থাকে, যা গর্ভাবস্থায় থাকা শিশুর জন্য ক্ষতিকর। এই সীসার প্রভাবে গর্ভাবস্থায় থাকা শিশুর জন্মগত ত্রুটি বা প্রিম্যাচিউর জন্ম হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সে পরিস্থিতিতে ওয়াল পেইন্ট করতে হলে খেয়াল রাখুন ঘরে ভেন্টিলেশন ভালো আছে কি না। ওয়াল পেইন্ট করার সময় গর্ভবতী মাকে ঘর থেকে দূরে সরিয়ে রাখা উচিত।

মশা তাড়ানোর স্প্রে: মশা ও পোকা দূর করতে বাজারে পাওয়া বিভিন্ন স্প্রে বেশ কার্যকর হলেও সেগুলো গর্ভবতী নারীদের জন্য স্বাস্থ্যকর না। কয়েক ধরনের কেমিক্যাল থাকে সেসব স্প্রেতে, যেগুলো গর্ভে থাকা শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়ের কথা বিবেচনা করে প্রথম কয়েক মাস প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা অথবা পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য স্প্রে ব্যবহার করা উচিত ঘরে।

ন্যাপথলিন বল: বাজারে প্রচলিত মথবল বা ন্যাপথলিন বল ঘর ও টয়লেট থেকে কীটপতঙ্গ দূর করা ও দুর্গন্ধ কমাতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ন্যাপথলিন বলের ৯৮ শতাংশই টক্সিক কেমিক্যাল- ন্যাপথলিন। তাই এটি গর্ভবতী নারীর বমি ভাব, ঝাপসা দেখা সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এই কেমিক্যাল আগত শিশুর জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ক্যাট লিটার বক্স: অনেক সময় খুব অপ্রত্যাশিত ভাবেই অনেক উপকরণ রোগ ও সংক্রমণের জন্য দায়ী হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে থাকা ক্যাট লিটার বক্স বা স্যান্ডবক্সে টক্সোপ্লাজমা গোন্ডি নামের প্যারাসাইট থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এই প্যারাসাইট গর্ভবতী মায়ের শরীরে প্রবেশ করলে আগত শিশুর জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে তা, এমনকি মায়ের জন্যেও এটি ক্ষতিকর। গবেষকরা বলছেন, না ধুয়ে কোনো ফল বা সবজি খেলে বা দূষিত পানি পান করলে যে ক্ষতি হয় শরীরের, এই প্যারাসাইট তেমন ক্ষতি করে।

প্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন পুরো বিশ্বের জন্যই প্লাস্টিক একটি ক্ষতিকর উপকরণ। তবে গর্ভবতী মায়েদের জন্য এই প্লাস্টিক থেকে দূরে থাকা আরো জরুরি, কারণ এতে ফেলাইট নামের কেমিক্যাল থাকে, যা শরীরে সহজে প্রবেশ করতে পারে। এই কেমিক্যাল গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য ক্ষতিকর।

 

কাজের জন্য ১০টি সফটওয়্যার সম্পর্কে জেনে রাখুন

বাজার হবে এখন ঘড়ে বসে অনলাইনে বাজারযাবো ডটকমে

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পর্কিত খবর
Close
Back to top button
error: Content is protected !!